ভ্রমণ কাহিনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভ্রমণ কাহিনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৫ মার্চ, ২০১৭

এশিয়ার সর্ববৃহত্তম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক

             বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কের মূল গেইট, ছবিটি তুলেছি ‍অামি নিজেই
পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও এখন সাফারি পার্ক আছে। চট্টগ্রামে ডুলাহাজারা সাফারী পার্ক নামে একটি সাফারী পার্ক আছে। সেটি চট্টগ্রাম শহর হতে ১০৭ কিলোমিটার দক্ষিণে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্বপার্শ্বে চকোরিয়া উপজেলা হতে মাত্র ৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। একা যাওয়া সম্ভব নয় বিধায় নরসিংদী সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৯ নভেম্বর ২০০৫ সালে আমি এই সাফারী পার্ক পরির্দশনে গিয়েছিলাম। সেখানে বেড়াতে যাওয়া চট্টগ্রাম ব্যতিত সকলের জন্য অনেক কষ্টের ব্যাপার। ঢাকার অদূরে গাজীপুরে এশিয়ার সর্ববৃহত্তম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কটি অনেক বড় এলাকা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। যা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় সকলের জন্যে ভ্রমণ করা সহজ হয়েছে।

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন জাদুঘর ও পানাম নগর

গরুর গাড়ির মূর্তির সামনে লেখক ও তাঁর মেয়ে আফরিন সুলতানা আনিকা
সোনারগাঁ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন জাদুঘরে আগে তিনবার গিয়েছি কিন্তু মাত্র ০.৫ কি.মি. উত্তরে অবস্থিত পানাম নগরে একবারও যাওয়া হয়নি। আমি সর্বপ্রথম সোনারগাঁ গিয়েছিলাম ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮ সালে। তখন আমার সফর সঙ্গী ছিলো সহপাঠি আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা। দ্বিতীয়বার গিয়েছিলাম ২০ আগস্ট ২০০৪ সালে। তখন আমার সফর সঙ্গী ছিলো তরুণ কবি রাকিব হাসান রুবেল, সাইফুল ইসলাম (মামুন) ও মহিদুল ইসলাম শাহ আলম। তখন ঐহিত্যবাহী পানাম নগর সর্ম্পকে আমার কিছুই জানা ছিলো না। তাই পানাম নগর যাওয়ার কথা চিন্তায় আসেনি। তৃতীয়বার গিয়েছিলাম ২০ নভেম্বর ২০১৫ সালে। তখন আমার সফর সঙ্গী ছিলো তরুণ কবি আমির আসহাব ও তার তিনজন বন্ধু। তখন পানাম নগর সর্ম্পকে যথেষ্ট ধারনা থাকা সত্ত্বেও সময়ের অভাবে যেতে পারিনি। ঐদিন এক সাথে দুই জায়গায় ভ্রমণ সূচি ছিলো। প্রথমে বাংলার তাজমহল ও পরে সোনারগাঁ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন জাদুঘরে যাওয়ায় সন্ধ্যা হয়ে যায়। তাই ঐদিন আর পানাম নগর যাওয়া হয়নি। আক্ষেপ নিয়েই বাড়ি ফিরে আসলাম। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নিলাম পরে যখন যাব অবশ্যই পানাম নগর ঘুরে আসব।

শুক্রবার, ১৩ মে, ২০১৬

অপরূপ মাধবকুণ্ড

নেট থেকে সংগ্রহ করা ছবি
ঝর্ণাকে নাকি পাহাড়ের কান্না বলে। সেই কান্না আবার মানুষকে আনন্দ দেই তা মাধবকুণ্ডে না গেলে বুঝতে পারতাম না। মহান আল্লাহ তায়ালা নিজ হাতে গড়া এই ঝর্ণাকে দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলাম। হবেই না কেন? কারণ পাহাড়ে গা ফুঁড়ে অঝোর ধারায় সাঁ সাঁ শব্দে নেমে আসছে পানি। অসংখ্য জলকণার মিলন মেলায় সৃষ্টি হচ্ছে সঙ্গীত। বাতাসে সেই সঙ্গীতের সুর উঠা নামা করছে। এই সুরের মুর্ছনা শুনার জন্য সারা বছর দেশের অগুণিত দর্শক ছুটে আসছে এখানে। তাই আমরা কিছু ভ্রমণ প্রিয়াসী ছুটে গিয়েছিলাম সেই সঙ্গীতের সুরের মুর্ছনায় মুগ্ধ হওয়ার জন্য। বন্ধুদের মধ্যে ছিল প্রিয় বন্ধু আব্দুল্লাহ আল নোমানসহ আরো অনেকে।

শুক্রবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৬

নরসিংদীর বিনোদনের প্রাণকেন্দ্র ড্রিম হলিডে পার্ক

কৃত্রিম লেক
নাগরিক জীবনে প্রতিদির রুটিন ব্যস্ততায় কিছুটা একঘেয়েমি চলে আসে আমার জীবনে। শত কাজের ব্যস্ততায় আমি যখন হাঁপিয়ে উঠছিলাম, ঠিক তখন ভাবলাম আমার একটু বিশ্রামের প্রয়োজন। পরিবারকে একটু সময় দেয়ার দরকার। যেই ভাবনা সেই কাজ। একমাত্র মেয়ে আনিকা ও স্ত্রীকে প্রস্তাব দিলাম চলো আমরা পাঁচদোনা ড্রীম হলিডে পার্ক থেকে ঘুরে আসি। এই নাগরিক কোলাহল থেকে অন্তত অল্প সময়ের জন্য হলেও দূরে যাওয়া প্রয়োজন। নিজেদের মতো করে কাটাব সময়। আমার প্রস্তাবে তারা রাজি হয়ে গেল।

শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত যেন এক নয়নাভিরাম দৃশ্য

01
[ছবিটি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা]

ছোট্ট এই বাংলাদেশে ভ্রমণের জায়গা খুব কম নয়। কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, কুয়াকাটা, সুন্দরবন, জাফলং, মাধবকুন্ড, লালবাগ কেল্লা ইত্যাদি খুব পরিচিত জায়গা ছাড়াও এখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অনেক ভ্রমণ জায়গা। আর এসব জায়গার দৃশ্যও অনেক মনোরম। যেমন কক্সবাজারের প্রতিটি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত নতুন এবং সুন্দর। এজন্য কবি জীবনানন্দ দাশ বার বার এই বাংলায় ফিরে আসতে চেয়েছেন এবং ধবল বকদের ভীড়ে তাঁকে খুঁজতেও বলেছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৫

স্বাধীনতার স্মৃতি বিজড়িত জাতীয় স্মৃতিসৌধে একদিন

1024px-JSS 
[ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা।]
মানুষের বিচিত্র রকমের শখ থাকে। কেউ বই পড়তে ভালোবাসে, কেউ খেলাধূলা করে সারাদিন কাটিয়ে দিতে ভালোবাসে আবার কেউ ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসে। এতে তারা এক মূহূর্তের জন্য আনন্দ পায়। ভ্রমণ পিয়াসীরা  মুহূর্তের জন্য ঘরে বসে থাকতে চায় না। সময় সুযোগ পেলেই বেড়িয়ে পড়ে প্রকৃতিকে কাছ থেকে দেখার জন্য। সঙ্গে কিছু খাবার আর রাত কাটানোর জন্য তাবু হলেই হয়ে যায় ভ্রমণ। আমার সখ ভ্রমণ করা। ভ্রমণের দিনক্ষণ ঠিক হয়ে গেলেই আমার মন আনচান করতে থাকে কখন যাব সেখানে।

রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৪

ঘুরে আসুন উয়ারী-বটেশ্বর

01
নরসিংদী জেলাতে যতগুলো প্রাচীন ঐতিহ্য ও প্রত্নস্থান রয়েছে ওয়ারী-বটেশ্বর তার মধ্যে অন্যতম। প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বের এ প্রত্নস্থান ১৯৩৩ সালে আবিস্কৃত হয়। ওয়ারী বটেশ্বর বাংলাদেশের একটি প্রাচীন জনপদ। পুরোনো ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় অবস্থিত ওয়ারী বটেশ্বর ছিল একটি নদীবন্দর ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্র। এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মহাজনপদ। দুর্গনগরটি ছিল সেই মহাজনপদের রাজধানী। ওয়ারী-বটেশ্বর সাম্প্রতিককালে

বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৪

স্বপ্নের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন

সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে জীবনের প্রথম সমুদ্র ভ্রমণের সময় ঘনিয়ে এলো। ২০ নভেম্বর ২০০৫ সাল সকাল ৬টায় কক্সবাজার হোটেল লেমিছ থেকে আমাদের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ৫২ জনের মধ্যে নুরুল হুদা স্যারের পরিবার ছাড়া মোট ৪৯ জনের কাফেলা স্বপ্নের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম। ৮:৩০ মিনিটে টেকনাফ সমুদ্র বন্দরে এসে পৌঁছলাম। এখান থেকে হালকা নাস্তা করে নিলাম। ৯টায় জাহাজ ‘খিজির-৬’ এ উঠলাম। আমরা ৪৯জন ও অন্য ২জন যাত্রীসহ মোট ৫১জন যাত্রী নিয়ে সকাল ১০:০০টায় জাহাজটি সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিল। ৪তলা এ

নয়নকাড়া ডুলাহাজারা সাফারী পার্ক


যারা ভ্রমণ কাহিনী লেখেন ‍তাদের ভ্রমণে যাওয়ার প্রস্তুতিই থাকে ভিন্ন রকম। সাথে রাখেন ডায়েরি অথবা নোটবুক ও কলম। যা দেখেন তা ঐ ডায়েরিতে সাংকেতিক ভাষায় লিখে রাখেন। আর যারা প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী তারা অনায়াসেই হৃদয়ের হার্ডডিস্কে জমা করে রাখতে পারেন। আমি অবশ্য ভ্রমণ কাহিনী লিখতে পারি না, তবুও লেখার চেষ্টা করছি।

শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৪

মন চলে যায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে

কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন এক কবিতায় বলেছিলেন, ‘বিপুল এই পৃথিবীরে কতটুকু জানি’ সত্যিই আল্লাহর দেয়া এই সুন্দর পৃথিবীকে আমরা কতটুকুইবা জানি।পাহাড়, পর্বত, গাছ-পালা, নদী-নালা, গ্রহ-তারা, বন-বনানী, আর আদিগন্ত শ্যামলের এই পৃথিবীকে তিনি যেমন অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি বানিয়েছেন, তেমনি করেছেন রহস্যের এক মায়াবী লোক।

রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৩

সোনালি ঐতিহ্যের নগরী সোনারগাঁও

“থাকবো নাকো বন্ধ ঘরে,
দেখবো এবার জগতটাকে
কেমন করে ঘুরছে মানুষ
যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে।”
সত্যি আমার প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের মনের কথাই বলেছেন। নাগরিক ব্যস্ততার মাঝে কার মন চায় চার দেয়ালের মধ্যে বন্দী থাকতে। সবাই চায় আপনজন, বন্ধু-বান্ধবদেরকে নিয়ে কিছুক্ষণের জন্য হলেও সুন্দর প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে।