তাপসকিরণ রায় পশ্চিমবাংলার কবি। তিনি ১৯৫০ সালের ১৫ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা র্স্বগীয় শৈলেশ চন্দ্র রায়। মা শ্রীমতী বেলা রায়। র্বতমানে তিনি ভারতের মধ্য প্রদশেরে জবলপুর শহরে বাস করেন। বাংলা বিভাজনের ফল-স্বরূপ ফেলে আসতে হয়েছে
জন্মভূমিকে। ফেলে আসতে হয়েছে ভিটামাটিকে। হাজার
হাজার বিঘা সোনা ফলা জমিকেও। ১৯৫১ সালে বাবা মা, তাঁকে নিয়ে পশ্চিম বাংলার র্বধমান
শহরে এসে উঠছেলিনে। ছোট বেলায়
স্বাভাবিক নিয়মে বাবা মায়ের সঙ্গে ঘুরতে হয়েছে বর্তমান, কলকাতা রানাঘাট। সবটাই সংসার জীবনরে টানা পোড়নেরে হাত ধরে। অতএব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পড়াশোনা শেষ করে বাবা মায়ের
হাত ধরে ১৯৬৬ সালের অক্টোবর মাসে পৌঁছালেন দন্ডকারন্য প্রজেক্ট-এ। প্রজক্টে থেকে আবেদনের
ভিত্তিতে পিতা শিক্ষক পদে নিযুক্ত হন। কবিকেও আর্থিক অসঙ্গতির জন্য প্রাথমিক শিক্ষকের
কাজ নিতে হয়। পরে পদোন্নতি হয় হাইস্কুলে। ইতিমধ্যে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
বি.এ পাশ করেন। রায়পুর রবি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম.এ করেন। বি.এড ডিগ্রী
পান ভোপাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
সাক্ষাতকার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাক্ষাতকার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০১৬
একান্ত সাক্ষাতকারে কবি জসীম উদ্দীন মুহম্মদ
জসীম উদ্দীন মুহম্মদের জন্ম ১৯৭৩ সালে কিশোরগঞ্জ
জেলায়। বাবা মো: আবদুল হামিদ ও মা আয়েশা হামিদ। লেখালেখি ছোটবেলা থেকেই। অনলাইন
সাহিত্য ম্যাগাজিনের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি নিয়মিত লিখছেন জলছবির অনলাইন সংস্করণ ও
প্রিন্ট প্রকাশনায়। এ ছাড়াও অনলাইনের বিভিন্ন সাইটে নিয়মিত লিখে ইতিমধ্যেই ব্যাপক
জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। ২০০৯ সালে তার প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় অংকুর প্রকাশনী
থেকে। আগামী একুশে বইমেলায় তার দু’টি বই প্রকাশের কথা রয়েছে। পেশায় তিনি একজন শিক্ষক। তিন সন্তানের
জনক কবি জসীম উদ্দীন মুহম্মদের কবিতায় প্রকৃতি ও প্রেম প্রাধান্য পায়। প্রজাপতি
সাহিত্য আসরের জন্য তার এই সাক্ষাতকারটি গ্রহণ করেছেন আমির ইশতিয়াক।মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৬
একান্ত সাক্ষাতকারে গল্পকার আমির ইশতিয়াক
রঙধনু ১. কতদিন যাবৎ লেখালেখি করছেন?
আমির ইশতিয়াক: ১৯৯৭ সালে
নবম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত থাকালীন সময় থেকে আমার লেখালেখির হাতেখড়ি। সেই থেকে আজ
অবধি অবিরাম লিখেই যাচ্ছি। কখনো থেমে থেমে আবার কখনো একনাগারে। লেখতে লেখতে নাকি লেখক
হওয়া যায়। তাই অবিরত লিখছি। জানিনা কতদুর যেতে পারব। আমার প্রথম লেখা প্রকাশিত হয়
২০০০ সনের জুন মাসে ‘মাসিক
চিকিৎসা সাময়িকীতে’।
সেই থেকে আজ পর্যন্ত আমি বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকা, সাপ্তাহিক
ম্যাগাজিন. মাসিক ম্যাগাজিন, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-কম্পিউটার
ও চিকিৎসা বিষয়ক মাসিক পত্রিকা, সাধারণ জ্ঞান ভিত্তিক
মাসিক পত্রিকা, দৈনিক পত্রিকা, কিশোর
পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকা, ব্লগ,
ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে লেখালেখি করে আসছি।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)

