সোমবার, ১৬ মে, ২০১৬

বাণী

v  মানুষকে সুখ দুঃখ, হাসি কান্না, প্রেম, বিরহ ইত্যাদি নিয়েই বেঁচে থাকতে হয়।
v  নারী এমন এক রহস্য জাত, যার সাথে স্বামী পঞ্চাশ বছর এক বিছানায় থেকেও তার রহস্য ভেদ করতে পারে না।
v  দুনিয়ার সব জিনিস আঠা দিয়ে জোড়া লাগানো যায় কিন্তু মন একবার ভেঙ্গে গেলে তা আর জোড়া লাগানো যায় না।
v  সতীত্বহীন নারী পুরুষের কাছে মূল্যহীন।
v  যে না জেনে ভুল করে তাকে ক্ষমা করা যায়, কিন্তু যে জেনে ভুল করে তাকে ক্ষমা করা যায়  না।
v  সব মেয়ে প্রেমিকা হতে পারে কিন্তু সব মেয়ে আদর্শ স্ত্রী হতে পারে না।
v  ঘাত প্রতিঘাত ছাড়া মানুষের জীবন পরিপূর্ণ হয় না।
v  মানুষ যা আশা করে না, তাই হয়। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে হলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রকৃতির নিয়মকে মেনে নিতে হবে।
v  সতীত্বহীন নারী বেঁচে থাকার চেয়ে সতীত্ব নিয়ে মরে যাওয়া উত্তম।
v  প্রেম রোগ বড় রোগ এ রোগের কোন চিকিৎসা নেই।
v  প্রেমে পড়লে মানুষ দুনিয়ার সব কিছু ভুলে যায়। তখন ভালো মন্দ বিচার করার হিতাহিত জ্ঞান থাকে না।
v  বসন্তকাল হচ্ছে প্রেমিক প্রেমিকাদের সর্বোৎকৃষ্টকাল।
v  আদিকাল থেকেই প্রেম চলে আসছে, আজ চলছে, চলবে অনন্তকাল।
v  সব সৃষ্টির আনন্দের চেয়ে মা হওয়ার আনন্দ অনেক বেশি।
v  যে পুরুষ অর্থের বিনিময়ে বিয়ে করে সে পুরুষ নয়, কাপুরুষ।
v  বই মানুষকে ঠকাতে পারে না।
v  ভালোবাসা গড়তে অনেক দিন কিন্তু ভাঙ্গতে কিছুক্ষণ।
v  দু:খের কোন অস্তিত্ব নেই, এটা হচ্ছে সুখের অনুপস্থিতি।
v  প্রতিটি মানুষই দুটি মানুষের ভালোবাসার ফসল।
v  পৃথিবীর এই রঙ্গমঞ্চে আমরা সবাই অভিনেতা।
v  ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগানো যায় কিন্তু যে জেগে ঘুমায় তাকে জাগানো যায় না।
v  সব ছেলেরা একসময় বাবা হয়। কিন্তু সব বাবারা কোনদিন ছেলে হয় না।
v  মানুষ মাত্রই ভুল হয়। প্রকৃত বন্ধু তারাই যারা বন্ধুর সরাসরি ভুল ধরিয়ে না দিয়ে গোপনে ভুল ধরিয়ে দেয়।
v  আসুন আমরা সবাই বই পড়ি। আলোকিত জীবন গড়ি। যদি বই না পড়ি অন্ধকারে রয়ে যাব। অন্ধকার জগৎ থেকে আলোর পথে একমাত্র বই আনতে পারে।
v  আমাদের মধ্যে ভিন্নমত, ভিন্ন রং, ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষদের সম্মান করা, শ্রদ্ধা করার প্রবণতা কম।
v  যারা কথা দিয়ে কথা রাখেনি তাদের সঙ্গ ত্যাগ করাই ভাল। কারণ তাদের মুখে মধু থাকলেও অন্তরে থাকে বিষ।
v  শিক্ষা বাণিজ্য ও কোচিং বাণিজ্য বন্ধ না হলে এ দেশের শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে না।
v  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মূলত শোক দিবস। এদিনে বাংলাদেশের দামাল ছেলেরা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে অথচ এদিনে আমরা আনন্দ ফুর্তি করি!
v  সব পুরুষরাই বিয়ে করার জন্য সতী নারী খুঁজে কিন্তু নিজে কতজন নারীর সতীত্ব নষ্ট করেছে তার হিসেব করে না।
v  মানুষকে কাঁদানো সহজ হাসানো কঠিন। প্রতিটা সৃষ্টির পেছনেই স্রষ্টা থাকে।
v  স্রষ্টাকে যারা খোঁজে পায় না তারাই নাস্তিক হয়।
v  আবেগ দিয়ে জীবন চলে না। জীবন এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা।
v  মানুষকে জানোয়ার বললে রাগ হয় কিন্তু বাঘের বাচ্চা বললে খুশি হয় কেন?
v  একজন মানুষকে মানুষ হওয়ার জন্য যতটুকু পরিশ্রম করতে হয়, আমানুষ হওয়ার জন্য ততটুকু পরিশ্রম করতে হয় না।
v  গাছ প্রতি বছর নতুন করে যৌবনপ্রাপ্ত হয় কিন্তু মানুষ প্রতি বছর যৌবনপ্রাপ্ত হয় না।
v  গরিবের অশান্তি দারিদ্রতা আর ধনীর অশান্তি প্রাচুর্যতা।
v  যারা বিশ্বাসের মর্যাদা রাখে না তারা আর যাই হউক ভদ্রলোক হতে পারে না।
v  মানুষ মানুষের শত্রু হতে পারে কিন্তু বই কখনো মানুষের শত্রু হতে পারে না।
v  এমন বন্ধুর দরকার নেই যে রোদ উঠলে ছাতা দেয়, আর বৃষ্টি হলে ছাতা নিয়ে যায়।
v  বৈশাখের প্রথম দিন পান্তা ইলিশ খাওয়া মানে গরিবের সাথে উপহাস করা।
v  প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিলে শিক্ষিত হওয়া যায় কিন্তু সু-শিক্ষিত হওয়া যায় না।
v  মুখ থেকে থুথু ফেললে যেমন ফেরত নেয়া যায় না, তেমনি কোন কথা বলে ফেললে তা আর ফিরিয়ে আনা যায় না। অতএব কোন কথা বলার আগে অবশ্যই ভেবে চিন্তে সাবধানে বলতে হবে।
v  পৃথিবীতে মা-বাবা ব্যতীত আর কেউ নি:স্বার্থভাবে ভালোবাসা দিতে পারে না।

সর্বশেষ আপডেট: ২৮ জুন ২০১৭ খ্রি:

শুক্রবার, ১৩ মে, ২০১৬

অপরূপ মাধবকুণ্ড

নেট থেকে সংগ্রহ করা ছবি
ঝর্ণাকে নাকি পাহাড়ের কান্না বলে। সেই কান্না আবার মানুষকে আনন্দ দেই তা মাধবকুণ্ডে না গেলে বুঝতে পারতাম না। মহান আল্লাহ তায়ালা নিজ হাতে গড়া এই ঝর্ণাকে দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলাম। হবেই না কেন? কারণ পাহাড়ে গা ফুঁড়ে অঝোর ধারায় সাঁ সাঁ শব্দে নেমে আসছে পানি। অসংখ্য জলকণার মিলন মেলায় সৃষ্টি হচ্ছে সঙ্গীত। বাতাসে সেই সঙ্গীতের সুর উঠা নামা করছে। এই সুরের মুর্ছনা শুনার জন্য সারা বছর দেশের অগুণিত দর্শক ছুটে আসছে এখানে। তাই আমরা কিছু ভ্রমণ প্রিয়াসী ছুটে গিয়েছিলাম সেই সঙ্গীতের সুরের মুর্ছনায় মুগ্ধ হওয়ার জন্য। বন্ধুদের মধ্যে ছিল প্রিয় বন্ধু আব্দুল্লাহ আল নোমানসহ আরো অনেকে।

রবিবার, ৮ মে, ২০১৬

মাকে ভালোবাসার জন্য দিবসের কোন প্রয়োজন নেই


জন্মদাত্রী হিসেবে আমার, আপনার সকলের জীবনে মায়ের স্থান সবার ওপরে। যে মা দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করে, দুই বছর স্তন্য দান করে, আমার আপনার জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত ক্রমাগত ত্যাগ স্বীকার করে তিলে তিলে আমাকে আপনাকে বড় করেছে এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাই করে যাবেন। যে মায়ের পায়ের নীচে আমার আপনার জান্নাত। যেই মায়ের জন্য আমরা কখনো কোথাও আঘাত পেলেই ‘মাগো’ বলে চিৎকার করি, সেই মাকে সম্মান দেখানোর জন্য বছরে একটি মাত্র দিন!

শুক্রবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৬

নরসিংদীর বিনোদনের প্রাণকেন্দ্র ড্রিম হলিডে পার্ক

কৃত্রিম লেক
নাগরিক জীবনে প্রতিদির রুটিন ব্যস্ততায় কিছুটা একঘেয়েমি চলে আসে আমার জীবনে। শত কাজের ব্যস্ততায় আমি যখন হাঁপিয়ে উঠছিলাম, ঠিক তখন ভাবলাম আমার একটু বিশ্রামের প্রয়োজন। পরিবারকে একটু সময় দেয়ার দরকার। যেই ভাবনা সেই কাজ। একমাত্র মেয়ে আনিকা ও স্ত্রীকে প্রস্তাব দিলাম চলো আমরা পাঁচদোনা ড্রীম হলিডে পার্ক থেকে ঘুরে আসি। এই নাগরিক কোলাহল থেকে অন্তত অল্প সময়ের জন্য হলেও দূরে যাওয়া প্রয়োজন। নিজেদের মতো করে কাটাব সময়। আমার প্রস্তাবে তারা রাজি হয়ে গেল।

বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৬

একজন ডাক্তারের কত টাকা চাই?

আমরা জানি ডাক্তারি পেশা একটি সেবামূলক পেশা। এই পেশাকে কুলষিত করছে কতিপয় ডাক্তার। তারা একজন রোগীকে সবোর্চ্চ পাঁচ মিনিট সময় দিয়ে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। আমরা এও জানি টাকার চেয়ে একজন মানুষের জীবনের মূল্য অনেক বেশি সেটা আমরা সাধারণ জনগণ বুঝলেও কতিপয় ডাক্তাররা বুঝেন না। তাদের অমানুষিক আচরণের কারণে অনেক গরিব মানুষ বিনা চিকি‍সায় মারা যাচ্ছে।

বুধবার, ২ মার্চ, ২০১৬

গ্রন্থ পর্যালোচনা: ‘কৃষ্ণকলি’



 “আমি কালো মেয়ে। তাই আমাকে দেখে কোনো পুরুষের মনে যদি প্রেম না জাগে তাতে সেই পুরুষকে যেমন দোষ দেওয়া যায় না তেমনি আমাকেওতো দোষ দেয়া যায় না। কিন্তু পরিবার, পাড়াপড়শি, আত্মীয়-স্বজন আমাকেই দোষতে লাগল। নানা কথায় আমার জীবনটা অতিষ্ট করে তুলতে লাগল। আবার অন্যদিক দিয়ে দেখো, কোন পুরুষের মনে প্রেম জাগানোর মতো কোনোকিছুই আমার চেহারায় না থাকলেও বয়স হওয়ার সাথে সাথে একজন সুন্দরী রাজকুমারীর মনে যেমন প্রেম জাগে আমারও তেমনি জেগেছিল। এক সময় আমারও বয়স ষোল বছর হয়। আমিও একসময় ষোড়শী হলাম এবং আমারও মনে তীব্র ইচ্ছা জাগল কারো প্রেয়সী হয়ে তার বুকে হুটোপুটি করতে; ভালোবাসার নীড়ে ভালোবাসি করতে। কিন্তু কেউ তো এলো না আমাকে ভালোবাসতে। ”

রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

গ্রন্থ পর্যালোচনা: ‘অপরাজিতা’



“এই অবাক হওয়া মানুষগুলোর কাছে চিরদিনই এটা রহস্য থেকে যাবে, কেনো দু’জন ভিনদেশি যুবক-যুবতি এমন ব্যাকুল হয়ে কাঁদছে তাদের দেশে এসে। কে জানে কিছু রহস্য থাকা হয়ত ভালোই। কারণ প্রকৃতি রহস্য পছন্দ করে!”

রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

অদ্ভুত ভালোবাসা

এক
শীতের সকাল। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন রিয়াজ। মোবাইল বেজে উঠল। ঘুমের ঘোরে তাড়াহুড়া করে মোবাইলটি রিসিভ করতেই অপর প্রান্ত থেকে বন্ধু রুবেল বলে উঠল, আজ আমার গায়ে হলুদ আর তুই এখনও ঘুমাচ্ছিস। জলদি ক্যামেরা নিয়ে চলে আয়।
রিয়াজ ঘুমের চোখে বললো, ঠিক আছে দোস্ত আমি আসছি।
ঘুম থেকে উঠেই রিয়াজ দ্রুত ওয়াশরুমে গেল। সেভ হয়ে গোসল করে নিল। সুটপ্যান্ট পড়ে রুবেলদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হল। সাথে তার প্রিয় ক্যামেরাটা নিয়ে আসল।

শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

টুনি ও প্রজাপতি


টুনি তার নাম। বাবা মায়ের একমাত্র আদরের মেয়ে। সে কেবল অ আ ক খ পড়ে। তার একটা বর্ণমালার বই আছে। বইটি খুবই সুন্দর। ছড়ায় ছড়ায় বর্ণমালা দিয়ে বইটি সাজানো। রঙিন সব ছবি। প্রজাপতির ছবি। পাখির ছবি। ফলের ছবি। ফুলের ছবি। প্রতিদিন জানালার পাশে বসে টুনি বর্ণমালার বই পড়ে।
জানালার পাশেই টুনির বাবা একটি ফুলের বাগান করেছে। সেই বাগানে বিভিন্ন জাতের ফুলের চারা লাগানো হয়েছে। নানা জাতের ফুল ফুটেছে। টুনি প্রতিদিন সেই বাগানের যতœ করে। বাগানে পানি দেয়।
একদিন টুনি দেখলো, ফুলবাগানে একটি প্রজাপতি আসল। হায়! কি অপরূপ!। এমন সুন্দর প্রজাপতি টুনি আগে দেখেনি। কিন্তু এখন দেখামাত্রই সে চিনে ফেলল। কারণ সে তার বর্ণমালা বইয়ে এমন একটি প্রজাপতির ছবি দেখেছে এবং পড়েছে প-তে প্রজাপতি। লাল, নীল, হলুদ, কালো, মেরুনের চমৎকার ছোপ ছোপ সাজের প্রজাপতিটা উড়ছে। ফুল গাছের এ পাতা থেকে ও পাতায় বসছে। উড়ে উড়ে অপরূপ বর্ণচ্ছটাই বিকিরিত করছে দৃষ্টির তরঙ্গে।
হঠাৎ করে প্রজাপতিটা উড়াল দিল। টুনি তাকিয়ে থাকে প্রজাপতি চলে যাওয়া পথের দিকে। ওই তো রঙ্গিন প্রজাপতিটা উড়ে চলে যায় টুনির মাথার উপর দিয়ে অনন্ত পথের পানে। আর তখন টুনি এক দৃষ্টিতে সেদিকে তাকিয়ে রইল।

শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

সৃজনশীল ব্লগিং প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বের ফলাফল প্রকাশ ও বিজয়ীদের অভিনন্দন

সুপ্রিয় ব্লগার বৃন্দ
নক্ষত্র ব্লগের পক্ষ থেকে শুভেচছা ও অভিনন্দন গ্রহণ করুন। আপনারা জানেননক্ষত্র ব্লগে চলছে ব্লগিং প্রতিযোগিতা. যা গত তিনবছর যাবত নিয়মিত আয়োজিতহয়ে আসছে। বিভিন্ন ব্লগ ও অনলাইনে যারা নিয়মিত লেখালেখি করেন তাদের জন্যএটা নিসন্দেহে আশাব্যঞ্জক লেখকের জন্য পাঠক প্রিয়তাই সত্যিকারেরপুরস্কারতাই এই লেখা লেখির চর্চাকে আরও গতিশীল রাখতে এই ধরনের আয়োজন খুবইগুরুত্বপূর্ণ কে কি পুরস্কার পেল তাহা বড় কথা নয় বরং লেখা লেখিকে গতিশীলকরাই বড় বিষয় পাঠকের সাথে যোগাযোগ হওয়া এবং নিজের লেখাটিকে সর্বোচ্চসংখ্যক পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই অন্যতম বিষয় নক্ষত্র ব্লগ এই বিষটিকে বিবেচনাকরে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে।এরই পরিপ্রেক্ষিতে সকল লেখক পাঠকের প্রতি আহ্বান নক্ষত্র ব্লগ প্রতিযোগিতায়লিখুন। লেখালেখির চর্চাটা অব্যাহত রাখুন।