কম্পিউটারের কি বোর্ডের উপরের দিকে তাকালেই দেখবেন F1 থেকে F12 পর্যন্ত ১২টি বাটন আছে। এগুলোকে বলা হয় Function key। F1 থেকে F12 পর্যন্ত এই
বাটনগুলোর প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা আলাদা এরং গুরুত্বপূর্ন ব্যবহার। বিশেষ করে মাউসের বিকল্প হিসেবে এদের ব্যবহার করা যায়। চলুন দেখে নিই F1 থেকে F12
পর্যন্ত কী গুলো প্রত্যেকে কি কাজ করেঃ শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
কি বোর্ডের F1 থেকে F12 পর্যন্ত বাটন গুলোর শর্টকাট ব্যবহার
কম্পিউটারের কি বোর্ডের উপরের দিকে তাকালেই দেখবেন F1 থেকে F12 পর্যন্ত ১২টি বাটন আছে। এগুলোকে বলা হয় Function key। F1 থেকে F12 পর্যন্ত এই
বাটনগুলোর প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা আলাদা এরং গুরুত্বপূর্ন ব্যবহার। বিশেষ করে মাউসের বিকল্প হিসেবে এদের ব্যবহার করা যায়। চলুন দেখে নিই F1 থেকে F12
পর্যন্ত কী গুলো প্রত্যেকে কি কাজ করেঃ শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৬
এ জীবন শুধু তোমার জন্য
এক
শরতের পড়ন্ত বিকেল। রোদের ত্যাজ আস্তে আস্তে কমে আসছে। এতক্ষণ সূর্যটা পশ্চিম আকাশে থালার মতো আকার ধারণ করে অবস্থান করছে। একটু পড়েই হয়তো রক্তিম সূর্যটা পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে পৃথিবীকে অন্ধকার করে চলে যাবে তার নিজস্ব রাজ্যে। তখন হয়তো কেউ তাকে বাঁধা দিয়ে রাখতে পারবে না।
রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০১৬
পরীক্ষায় দুর্নীতি ও আমাদের করণীয়
“Honesty is the best policy” এই নীতি বাক্যটি বর্তমানে কাগজে কলমেই
শোভা পাচ্ছে। বাস্তবে এর কোন প্রয়োগ নেই। কেননা বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে বসবাস
করে সৎ থাকা যায় না। কারণ আমাদের এই দেশে সচিবালয় থেকে শুরু করে রান্না ঘর পর্যন্ত
কোন না কোনভাবে দুর্নীতির ভেড়াজালে আবদ্ধ। যার কারণে বাংলাদেশ চার বার দুনীর্তিতে চ্যাম্পিয়ান
হয়েছে। এ থেকেই বুঝা যায় দুর্নীতি বাংলাদেশকে কিভাবে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। কেন আজ বাংলাদেশ
বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে? এর প্রধান কারণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি।
তার মধ্যে পরীক্ষায় দুর্নীতি একটি অন্যতম মাধ্যম।
একান্ত সাক্ষাতকারে কবি তাপসকিরণ রায়
তাপসকিরণ রায় পশ্চিমবাংলার কবি। তিনি ১৯৫০ সালের ১৫ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা র্স্বগীয় শৈলেশ চন্দ্র রায়। মা শ্রীমতী বেলা রায়। র্বতমানে তিনি ভারতের মধ্য প্রদশেরে জবলপুর শহরে বাস করেন। বাংলা বিভাজনের ফল-স্বরূপ ফেলে আসতে হয়েছে
জন্মভূমিকে। ফেলে আসতে হয়েছে ভিটামাটিকে। হাজার
হাজার বিঘা সোনা ফলা জমিকেও। ১৯৫১ সালে বাবা মা, তাঁকে নিয়ে পশ্চিম বাংলার র্বধমান
শহরে এসে উঠছেলিনে। ছোট বেলায়
স্বাভাবিক নিয়মে বাবা মায়ের সঙ্গে ঘুরতে হয়েছে বর্তমান, কলকাতা রানাঘাট। সবটাই সংসার জীবনরে টানা পোড়নেরে হাত ধরে। অতএব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পড়াশোনা শেষ করে বাবা মায়ের
হাত ধরে ১৯৬৬ সালের অক্টোবর মাসে পৌঁছালেন দন্ডকারন্য প্রজেক্ট-এ। প্রজক্টে থেকে আবেদনের
ভিত্তিতে পিতা শিক্ষক পদে নিযুক্ত হন। কবিকেও আর্থিক অসঙ্গতির জন্য প্রাথমিক শিক্ষকের
কাজ নিতে হয়। পরে পদোন্নতি হয় হাইস্কুলে। ইতিমধ্যে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
বি.এ পাশ করেন। রায়পুর রবি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম.এ করেন। বি.এড ডিগ্রী
পান ভোপাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
একান্ত সাক্ষাতকারে কবি জসীম উদ্দীন মুহম্মদ
জসীম উদ্দীন মুহম্মদের জন্ম ১৯৭৩ সালে কিশোরগঞ্জ
জেলায়। বাবা মো: আবদুল হামিদ ও মা আয়েশা হামিদ। লেখালেখি ছোটবেলা থেকেই। অনলাইন
সাহিত্য ম্যাগাজিনের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি নিয়মিত লিখছেন জলছবির অনলাইন সংস্করণ ও
প্রিন্ট প্রকাশনায়। এ ছাড়াও অনলাইনের বিভিন্ন সাইটে নিয়মিত লিখে ইতিমধ্যেই ব্যাপক
জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। ২০০৯ সালে তার প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় অংকুর প্রকাশনী
থেকে। আগামী একুশে বইমেলায় তার দু’টি বই প্রকাশের কথা রয়েছে। পেশায় তিনি একজন শিক্ষক। তিন সন্তানের
জনক কবি জসীম উদ্দীন মুহম্মদের কবিতায় প্রকৃতি ও প্রেম প্রাধান্য পায়। প্রজাপতি
সাহিত্য আসরের জন্য তার এই সাক্ষাতকারটি গ্রহণ করেছেন আমির ইশতিয়াক।অপসংস্কৃতির কবলে দেশ ও আজকের তরুণ সমাজ
অপসংস্কৃতি সর্ম্পকে আলোচনা করার পূর্বে
আমাদের জানা প্রয়োজন সংস্কৃতি কি? সংস্কৃতি ইংরেজি
‘Culture’ শব্দের বাংলা রূপ। সংস্কৃতির আরো খাঁটি বাংলা হচ্ছে ‘কৃষ্টি’। আর এই
কৃষ্টি শব্দের অর্থ ‘কর্ষণ, বা ‘চাষ’। ষোল
শতকের শেষের দিকে ফ্রান্সিস বেকন সর্বপ্রথম ইংরেজি সাহিত্যে ‘Culture’ শব্দটি ব্যবহার করেন। ঊনিশ শতকের মাঝামাঝিতে ওয়াল্ড ইমার্ঘন ‘Culture’ কে পূর্ণ রূপে ব্যাখ্যা করেন।
নরসিংদীর কিংবদন্তীর প্রাণপুরুষ সামসুদ্দীন আহমেদ এছাক
নরসিংদীর কিংবদন্তীর প্রাণপুরুষ সামসুদ্দীন আহমেদ
এছাক আজ আর আমাদের মাঝে নেই, একথা ভাবতেই চোখে জল
এসে যায়। তিনি যে দুনিয়া থেকে চলে গেছেন একথা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। মানুষ মরণশীল।
কেউ অমর নয়। কেউ আগে বা কেউ পরে এ দুনিয়া থেকে একদিন সবাইকে চলে যেতে হবে। তাই সে নিয়মেই
সামসুদ্দীন আহমেদ এছাক সাহেব আমাদের মাঝ থেকে চলে গেছেন। দেখতে দেখতে দশটি বছর চলে
গেল। এখন তিনি একা ঘুমিয়ে আছেন নরসিংদীর আশরীনগরের বটতলায়। ২৭ মার্চ তাঁর দশম মৃত্যুবার্ষিকী।
দশম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমার পক্ষ থেকে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শ্রদ্ধা
নিবেদন করছি।বন্ধুব্লগ ঈদ সংখ্যা ই-বুক ২০১৪: একটি পর্যালোচনা
বন্ধুব্লগের আয়োজনে প্রকাশিত চতুর্থ ই-বুক “বন্ধুব্লগ ঈদ
সংখ্যা ই-বুক ২০১৪’’ খুব অল্প সময়ের মধ্যে নবীন ও পুরাতন ব্লগারদের লেখা নিয়ে ই-বুকটি প্রকাশিত হয়। পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে এ সংকলনটিতে পিডিএফ ফরম্যাটে মোট ৩০ পৃষ্ঠায় ৩৭ জন লেখকের ৩৭টি লেখা স্থান পেয়েছে। যার মধ্যে স্মৃতিকথা, ছড়া, কবিতা, রম্যরচনা ও
ছোট গল্প ৫টি বিভাগে বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্রময় লেখা থাকার কারণে সকল শ্রেণীর পাঠকের কাছে দারুণ
একটি ঈদ উপহার হিসেবে গণ্য হয়েছে। কিন্তু ব্লগের সন্বয়হীনতার অভাবে কিছু ত্রুটির
কারণে সার্বিক দিক বিবেচনা করলে ই-বুকটি আমার কাছে গ্রহযোগ্যতা পায়নি।
নিন্মে এই ত্রুটিগুলো তুলে ধরলাম।
যৌতুক ও নারী নির্যাতন
বর্তমানে নারীরা পুরুষ কর্তৃক যত প্রকার নির্যাতিত হচ্ছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে যৌতুকের শিকার। বর্তমানে এ যৌতুক একটি প্রথা হিসেবে দেখা দিয়েছে। যা নারী সমাজের জন্য এক অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যৌতুকের ফলে কত নারীর সোনার সংসার ভেঙ্গে তছনছ হয়েছে তার কোন হিসেব নেই। কত নারী যে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে তারও কোন পরিসংখ্যান নেই। যুগ যুগ ধরে এ যৌতুক প্রথা আমাদের সমাজে প্রচলিত হয়ে আসছে। আজ যৌতুক নামক এ কু-প্রথাটি ক্রমান্বয়ে সমাজের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ছে। আজ প্রায় প্রতিটি ছেলে পরিবারের অভিভাবকরা প্রতিযোগিতায় লেগে যায় কে কত বেশি যৌতুক আনতে পারে। এই সমাজে যে যত ভাল পাত্র সে তত বেশি যৌতুকের দাবিদার। ঠিক বাজারের পণ্যের মতো। বাজারে যে পণ্যটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও মজাদার সেই পণ্যের দাম বেশি। বিয়ের বাজারে পাত্রের ক্ষেত্রেরও শিক্ষা-দীক্ষায়, গুণে মানে সুঠাম দেহের অধিকারীরা খুম দাবী পাত্র। বিয়ের মজলিশে ভাল পাত্রের বাবারা ফেভারিটের তালিকায় থাকেন।
তরুণ লেখক এমরানুর রেজা
ব্যক্তি এমরানুর রেজাকে আমি চিনি অনেকদিন যাবত কিন্তু লেখক এমরানুর রেজাকে চিনি কিছুদিন যাবত। তাঁর বেশ কয়েকটি লেখা আমি পড়েছি। সাহিত্যের প্রতি প্রবল আকর্ষণ তাঁর। তাঁর প্রতিটি লেখায় বিশেষ একটা দিক আছে। তাকে বিশ্লেষণ করার মত যোগ্যতা আমার হয়নি। তারপরও যতটুকু তাঁর লেখা পড়েছি তার মধ্য থেকেই তাকে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করছি।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)



