রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৪

শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৪

ঢাকা চিড়িয়াখানায় একদিন

১৬ ডিসেম্বর ২০১৪ইং রোজ মঙ্গলবার স্বপরিবারে ঢাকা চিড়িয়াখানায় গেলাম। এর আগে ২০০২ সালে একবার গিয়েছিলাম। তখন ক্যামেরা ছিলনা তাই কোন ছবি তুলে আনতে পারিনি। এবার সাথে ক্যামেরা নিয়ে গেলাম। কিন্তু সময় স্বল্পতার জন্য সব ছবি তুলতে পারলাম না। তাছাড়া মেয়ে ও বউ সাথে থাকায় ছবি তুলতে একটু অসুবিধা হয়েছে। চিড়িয়াখানা ভেতর বন্ধী প্রাণীদের ছবি তুলা খুবই কষ্টকর ব্যাপার। খাচার একান্ত কাছে না গেলে ভাল ছবি তুলা সম্ভব হয় না। পরিবার সঙ্গে থাকায় তাদেরকে রেখে খাচার কাছে বেশী যেতে পারিনি। তাছাড়া ১৬ ডিসেম্বর হওয়ায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৪

আবুল মিয়ার স্বপ্ন

আবুল মিয়া যাচ্ছে রাস্তা দিয়ে,
মাথায় এক দুধের কলসি নিয়ে।
স্বপ্ন দেখে দুধ বিক্রি করে,

বর্ষা

চারদিকে বর্ষা
পানি থৈথৈ,
মায়ের চিন্তা
শিশু গেল কৈ।

খুশীর ঈদ

ঐ আকাশে চাঁদ উঠেছে
কাল যে হবে ঈদ,
এই খুশীতে সব শিশুদের
নেই যে চোখে নিঁদ।

টাকা

হায়রে টাকা!
তুর জন্য জীবনটা হল ফাঁকা।
তুর জন্য মরি ধুকে ধুকে,
যখন তুকে পাই তখন তুই নেই বুকে।

বন্যা

মাঠে পানি, ঘাটে পানি, ঘরে পানি,
যেদিকে তাকাই শুধু বন্যার পানি।
চারদিকে শুধু অথয় পানি,
মানুষের মুখে শুধু হতাশার বানি।

শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৪

ধর্ষণ প্রবণতা বৃদ্ধির কারণ

যারা নিয়মিত পত্রিকা পড়ে তাদের কাছে ধর্ষণ শব্দটা বেশি পরিচিত। বর্তমানে পত্রিকা হাতে নিলে দেখা যায় এমন কোন দিন বাদ নেই যে, ধর্ষণের খবর আসে না। পত্রিকার খবর ছাড়াও দেশের আনাচে কানাচে কত নারী যে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে তার কোন হিসেব নেই। আগে ধর্ষণ হতো গোপনে আর এখন ধর্ষণ হয় প্রকাশ্যে খোলা মাঠে, চলন্ত বাসের মধ্যে। যেখানে একজন নারীকে হাত পা বেঁধে

শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৪

ভয়

আমি তখন ক্লাশ সেভেন এ পড়ি। তখন ছিল বর্ষাকাল। আমাদের গ্রামের পাশেই ছিল হাই স্কুল। সেই স্কুলে এক সাথে লেখাপড়া করতাম আমি ও শিহাব। আমরা এক সাথে সব সময় থাকতাম। শিহাবের বাড়ী আমাদের বাড়ী থেকে বেশী দূরে নয়। ওদের বাড়ি ছিল ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায়। আমাদের গ্রামে এসে তারা বাড়ী করেছে। বর্ষাকাল এলেই আমি ও শিহাব এক সাথে ঘুরাঘুরি করতাম। খেলাধূলা করতাম। মাছ ধরতাম।

বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৪

আমি চোর

গত ১৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বদলে যাও বদলে দাও মিছিলে জনাব আকু সাহেব ‘তুই চোর’ শিরোনামে একটি লেখা লিখেছিলেন। সেখানে তিনি বলছেন, ‘‘আসুন অন্তত এটুকু করি, চোরকে সরাসরি চোর বলি। ঘুষখোরকে ঘুষখোর বলি। বলি ‘তুই চোর’। বলি ‘তুই ঘুষখোর’। তাদের স্ত্রীদের বলি তাদের স্বামী চোর। তাদের সন্তানদের বলি তাদের বাবারা চোর।’’ জনাব আকু সাহেব আপনার কথার উল্টো পিঠ ধরেই বলি, চোরকে আমার যতই বলি ‘তুই

আত্মঘাতী বোমাবাজদের ঠেকাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে

সকল প্রাণী মরনশীল। চিরকাল কোন প্রাণী বেঁচে থাকে না। একদিন না একদিন সবাইকে মরতে হবে। পৃথিবীতে সৃষ্ট জীবের এটাই পরিণতি। এই পরিণতি মানুষ বিনা বাক্যে মেনেই জীবন ধারন করছে। তবে এ মৃত্যুর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া আছে। স্রষ্টার ইচ্ছায় মানুষ পৃথিবীতে আসে আবার তার ইচ্ছায় পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। ফলে কেউ মৃত্যুবরন করলের

কিংবদন্তীর প্রাণপুরুষ সামসুদ্দীন আহমেদ এছাক

কিংবদন্তীর প্রাণপুরুষ সামসুদ্দীন আহমেদ এছাক আজ আর আমাদের মাঝে নেই, একথা ভাবতেই চোখে জল এসে যায়। তিনি যে দুনিয়া থেকে চলে গেছেন একথা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। মানুষ মরণশীল। কেউ অমর নয়। কেউ আগে বা কেউ পরে এ দুনিয়া থেকে একদিন সবাইকে চলে যেতে হবে। তাই সে নিয়মেই সামসুদ্দীন আহমেদ এছাক আমাদের মাঝ থেকে চলে গেলেন। দেখতে দেখতে একটি বছর চলে গেল। ২৭ মার্চ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী।

নিকৃষ্ট বৈধ কাজ বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ ও প্রতিকার

বিবাহ বিচ্ছেদের সাথে সাথে একটি দাম্পত্য সর্ম্পকের অবসান ঘটে। এর মাধ্যমে শুধু স্বামী-স্ত্রীর সর্ম্পকেরই অবসান ঘটে না, দুটি পরিবারের সমস্ত আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে সর্ম্পকের অবসান ঘটে। আমাদের সমাজে বিবাহ বিচ্ছেদ যদিও কোন অপরাধমূলক কাজ নয় এবং এর পেছনে ধর্মীয় সমর্থন আছে তথাপি এটা একটা নিকৃষ্ট বৈধ কাজ। তাই যতটা সম্ভব এই নিকৃষ্ট বৈধ কাজ থেকে বিরত

বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৪

ভিক্ষাবৃত্তিকে রোধ করার জন্য সরকারিভাবে পদক্ষেপ নেয়া দরকার

ভিক্ষাবৃত্তি আমাদের সমাজের একটি অন্যতম সমস্যা। সমস্যাটির ব্যাপকতা ও গভীরতা বুঝতে আমাদের বেগ পেতে হয় না। কেননা আমরা যেদিকে তাকাই সেদিকেই এর চিত্র দেখতে পাই। যেমন- রেলস্টেশন, ট্রেনের ভিতর, বাসস্টেশন, বাসের ভিতর, লঞ্চঘাট, লঞ্চের ভিতর, হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট, ওভারব্রিজ, ফুটপাত, মসজিদ-মাদ্রাসা, দোকানপাট, স্কুল-কলেজ, মাজার, ওরশ, ঈদগাহ ও ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিলসহ যেকোন সাধারণ জনসমাবেশে ভিক্ষুকদেরকে দেখা যায়। আবার অনেক ভিক্ষুক আছে তারা মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে তাদের উপস্থিতির কথা জানান দেয়। তারা কেবল তাদের উপস্থিতির খবর জানিয়েই

সাপ্তাহিক আরশীতে মুখ ও প্রয়াত গণমানুষের নেতা সামসুদ্দীন আহমেদ এছাক

এক.
২০০৩ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বর বানিয়াছলের একটি বাসায় ভাড়া থাকি। এ বাসায় রুবেল নামের একটি ছেলে প্রায়ই আসত। একদিন তার সাথে আমার পরিচয় হয়। পরিচয় পর্বে জানতে পাররাম সে একজন তরুণ কবি। স্থানীয় পত্রিকায় তার কবিতা প্রকাশ হয়। আমি তার বেশ কয়েকটি কবিতা পড়েছি। ভাল কবিতা লিখে সে। সে নরসিংদীর বটতলায় একটি মোবাইলের দোকানে বসত। মাঝে মাঝে আমি সেখানে গিয়ে বসতাম। সে যখন জানতে পেল আমিও

বেকার সমস্যা সমাধানে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে

একটি সামাজিক সমস্যা অন্যান্য অনেক সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। সামাজিক সম্যাগুলোর মধ্যে বেকার সমস্যা অন্যতম। আধুনিক বিশ্বে উন্নত ও অনুন্নত দেশেই কম বেশি বেকার সমস্যা বিদ্যমান। তবে বর্তমানে বাংলাদেশে বেকার সমস্যা একটি মারত্মক ব্যাধি হিসেবে দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে বেকারের সংখ্যা কত তার সঠিক কোন তথ্য নেই। বাংলাদেশে বেকার সমস্যার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো শহরে বেকারের সংখ্যা

বোমা হামলাকারীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে

১৭ আগস্ট ২০০৫ রোজ বুধবার। প্রতিদিনের মতো আজও পূর্ব আকাশে সূর্য উদয়ের মধ্য দিয়ে দিন শুরু হলো। আস্তে আস্তে বেলা বাড়তে লাগল। মানুষ যার যার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। কেউ স্কুল, কলেজে গেল। কেউ অফিসে গেল। কেউ এ মুহূর্তে আর ঘরে বসে নেই। আমিও অন্যান্য দিনের মত কলেজে গেলাম। বেলা ১১টার দিকে আমরা কয়েকজন বন্ধু নরসিংদী সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষের রুমের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম।

পতিতাবৃত্তিকে রোধ করার জন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

পতিতাবৃত্তির মতো একটি নিকৃষ্ট পেশা আমাদের সমাজে আজ গেড়ে বসেছে। এই পেশার সাথে জড়িয়ে কত নারী যে তাদের জীবনে ধ্বংস ডেকে এনেছে, কত পুরুষ যে সহায় সম্বল হারিয়েছে পতিতালয়ে গমন করে তার কোন ইয়ত্তা নেই। মান সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে কত নারী-পুরুষ। যুব সমাজের ধ্বংসের মূল অধ:পতন হলো এই পতিতালয়। অনেকে পতিতালয়কে ভাল চোখে দেখেন। তাদের ধারনা পতিতালয় আছে বলেই অনেক যুবক বিভিন্ন অপরাধ থেকে বেঁচে আছে। যেমন ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ তাদের দ্বারা

পরীক্ষায় দুর্নীতি ও বর্তমান সরকারের পদক্ষেপ

"Honesty is the best policy" এই নীতি বাক্যটি বর্তমানে কাগজে কলমেই শোভা পাচ্ছে। বাস্তবে এর কোন প্রয়োগ নেই। কেননা বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে বসবাস করে সৎ থাকা যায় না। কারণ আমাদের এই দেশে সচিবালয় থেকে শুরু করে রান্না ঘর পর্যন্ত কোন না কোনভাবে দুর্নীতির ভেড়াজালে আবদ্ধ। যার কারণে বাংলাদেশ চার বার দুনীর্তিতে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে। এ থেকেই বুঝা যায় দুর্নীতি বাংলাদেশকে কিভাবে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। কেন আজ বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে? এর প্রধান কারণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি। তার মধ্যে পরীক্ষায় দুর্নীতি একটি অন্যতম মাধ্যম।

বাংলাদেশে বিয়ের কনে দেখার হাল

বাংলাদেশে বিয়ের পূর্বে মেয়ে দেখার যে রীতি প্রচলিত আছে, তা আমার পছন্দনীয় নয়। জানিনা এটাকে কে কোন দৃষ্টিতে দেখবেন। এ দেশের নিয়মানুসারে ছেলে পক্ষ বিয়ের প্রস্তাাব নিয়ে মেয়ে পক্ষের বাড়িতে আসে। মেয়ে পক্ষ ঐ দিন তাদের সাধ্য অনুসারে ছেলে পক্ষের লোকজনকে আপ্যায়ন করেন। পরে তারা তাদের আদরের মেয়েটিকে সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে ছেলে পক্ষের মুরুব্বীদের সামনে নিয়ে আসেন। তখন মেয়ের সাথে একজন সহকারী মহিলা থাকেন যিনি ধীরে ধীরে মেয়েটিকে ধরে ছেলে

অপসংস্কৃতি ও আজকের তরুণ সমাজ

অপসংস্কৃতি সর্ম্পকে আলোচনা করার পূর্বে আমাদের জানা প্রয়োজন সংস্কৃতি কি? সংস্কৃতি কাকে বলে? সংস্কৃতি বলতে আমরা কি বুঝি? প্রথমে সংস্কৃতি সর্ম্পকে আলোচনা করি। পরে মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।
শাব্দিক অর্থে সংস্কৃতি হচ্ছে- সংস্কৃতি ইংরেজি শব্দ ‘Culture’ শব্দের বাংলা রূপ। সংস্কৃতির আরো খাঁটি বাংলা হচ্ছে ‘কৃষ্টি’। আর এই কৃষ্টি শব্দের অর্থ ‘কর্ষণ, বা ‘চাষ’। ষোল শতকের শেষের দিকে ফ্রান্সিস বেকন সর্বপ্রথম ইংরেজি সাহিত্যে Culture শব্দটি ব্যবহার করেন। ঊনিশ শতকের মাঝামাঝিতে ওয়াল্ড ইমার্ঘন Culture কে পূর্ণ রূপে ব্যাখ্যা করেন।

প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে যাচ্ছে একাধিক প্রাণ

মানুষ মরণশীল। একদিন সবাইকে মরতে হবে। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু অনাকাংক্ষিত বাসের চাপায় পিষ্ট হয়ে মরতে হবে তা তো মেনে নেয়া যায় না। সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক মৃত্যু যেন এখন আমাদের নিত্যসঙ্গী। প্রায় প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ও রাজধানীর বাইরে মহাসড়কগুলোতে একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। এ দুর্ঘটনা কি রোধ

কেন বার বার লঞ্চ দুর্ঘটনা

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে কারো কোন উদ্বেগ নেই। একের পর এক শোচনীয় লঞ্চ দুর্ঘটনায় মায়ের বুক খালি হচ্ছে। স্ত্রী হারাচ্ছে পিতাকে, ভাই হারাচ্ছে বোনকে। ডাকঢোল পিটিয়ে নৌ-মন্ত্রণালয়ে ‘নৗ-দুর্ঘটনা প্রতিরোধ প্রকল্প’ ঘোষণা দিলেও এখন পর্যন্ত এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন হয়নি। একটি দুর্ঘটনা ঘটলেই নৌ-মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসন জেগে উঠে। মিটিং মিছিল হয়। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তারপর

প্রসঙ্গঃ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও আমার কিছু কথা

আহসান উল্লাহ মাস্টারের হত্যার ইস্যু, ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার ইস্যু, সাবেক অর্থমন্ত্রী এ.এস.এম কিবরিয়া হত্যার ইস্যুর পর তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থার সংস্কার আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক আন্দোলনের নতুন ইস্যু। এ ইস্যু নিয়ে তারা মাঠে নেমেছে। পাশাপাশি তারা আরো নতুন ইস্যু খোঁজার চেষ্টায় আছে। দেশের প্রধান বিরোধীদল আওয়ামীলীগ ইতিমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সংস্কার ও নির্বাচন কমিশনের সংস্কার না হলে তারা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে না এবং নির্বাচন হতে দেবে না। আওয়ামীলীগ এ সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পেশ করেছে এবং ঘোষণা করেছে এ দাবী মানতে হবে। এ

মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৪

মানব জীবনে উদ্ভিদের গুরুত্ব

মানব জীবনে উদ্ভিদের গুরুত্ব অপরিসীম। পার্থিব জীবনে আমরা উদ্ভিদের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। আমাদের জীবনে উদ্ভিদ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যেমন- অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, ঔষধ, নৈসর্গিক পরিবেশ ইত্যাদি এসব কিছুই আমরা উদ্ভিদ থেকে পেয়ে থাকি। কাজেই বলা যায় আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যাবতীয়  প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উদ্ভিদ থেকেই পেয়ে থাকি।
উদ্ভিদ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন-

সাম্প্রতিক বন্যার কারণ ও তার প্রতিকার

প্রকৃতির দুই রূপ- সৃষ্টি ও ধ্বংস। প্রকৃতি একদিকে গঠন করছে, অন্যদিকে বিনাশ করছে। বিভিন্ন কারণে প্রকৃতি ধবংস হয়। যেমন- ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প, খড়া, বন্যা ইত্যাদি। তবে সব প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে বন্যার আঘাতই সবচেয়ে বেশি। অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ সাধারণত: কিছু কিছু এলাকায় আঘাত এনে ক্ষতি করে থাকে এবং এর স্থায়ীত্বকাল অল্প সময়। কিন্তু বন্যা প্রায় সমগ্র দেশে আঘাত এনে প্লাবিত করে থাকে। এর স্থায়ীত্ব বেশিদিন থাকে। তখন অসহায় হয়ে পড়ে গোটা জাতি। বন্যার ভয়াবহ দৃশ্যের উৎস, জনজীবনে দু:খ, কষ্ট নেমে আসে। বন্যা যেন এখন নিয়মিত বার্ষিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় প্রতি বছরই বন্যা হচ্ছে।

জোট সরকারের তিন বছর সাফল্য ও ব্যর্থতা

গত ১০ অক্টোবর ২০০৪ইং তারিখে বর্তমান সরকারের ৩ বছর পূর্ণ হলো। তিন বছর পূর্তিতে জোট সরকারের সফলতা, ব্যর্থতার হিসেব নিকাশ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে একটি সরকারের পূর্ণ মেয়াদ হলো পাঁচ বছর। তাই পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে একটি সরকারের সফলতা ও ব্যর্থতার হিসেব করা খুবই কঠিন। তবুও ইতোমধ্যে জোট সরকার তিন বছরে বহুলাংশে সফল হয়েছে যা বিগত সরকার পাঁচ বছরেও করতে পারেনি। কোন সরকারই ১০০%

১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৪-এর সাপ্তাহিক বিচিত্রা পত্রিকার প্রচ্ছদ প্রতিবেদন ‘র‌্যাবের ক্রসফায়ার নাটক’ এবং আমার কিছু কথা

এক.
ইতোমধ্যে র‌্যব সদস্যদের অপারেশনের সময় ক্রসফায়ারে দেশের অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী মারা গেছে। গত পাঁচ মাসে অসংখ্য সন্ত্রাসীকে র‌্যাব সদস্যরা গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে পুলিশ প্রশাসনের অব্যাহত ব্যর্থতার মধ্যে র‌্যাবের এই সাফল্য সাধারণ মানুষও আশার আলো দেখতে পাচ্ছে। আর এর মধ্যেই চারদলীয় জোট সরকারের ঘোষিত সন্ত্রাস বন্ধে আন্তরিকতার প্রতিফলন ঘটেছে। কিন্তু র‌্যাবের এই অসাধারণ সাফল্য আওয়ামী লীগ নেতাদের গায়ে

ড. হুমায়ুন আজাদ তার জানাযা ও দাফন-কাফন

২০০৪ সালের সবচেয়ে আলোচিত ও বিতর্কিত ব্যক্তি হচ্ছেন ড. হুমায়ুন আজাদ। তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমীর বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে অজ্ঞাত সন্ত্রাসী দ্বারা আক্রান্ত হয়ে গুরুতর আহত হন। এর ফলে তখন তাকে নিয়ে পত্র পত্রিকায় অনেক লেখালেখি হয়। তার আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাকে একটি মহল মৌলবাদীদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ধারার পত্র-পত্রিকাগুলো ইসলামী দলগুলোর বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়েছে অত্যন্ত ন্যাক্কারজনকভাবে। পরে চার দলীয় জোট সরকার সন্ত্রাসীদের হাতে আক্রান্ত ড. হুমায়ুন আজাদকে অর্ধ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশে-বিদেশে

২১ আগস্টের বোমা হামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে

গত ২১ আগস্ট ২০০৪ শনিবার বিকালে ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে মর্মান্তিক বোমা বিস্ফোরণে নারী নেত্রী আইভি রহমানসহ ২০ জন নিহত ও শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সাররাদেশে হরতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট, অফিস আদালত, দোকানপাট ভাংচুর, গাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ১জনকে হত্যা, বিএনপির অফিস ভাংচুর ও আগুন জ্বালিয়ে দিয়ে সারা দেশের পরিস্থিতি উত্তাল করে রেখেছে। এখন তাদের প্রতি প্রশ্ন সন্ত্রাসী ঘটনার জবাব সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে কি দেয়া যাবে? এটা কি দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে? যারা প্রকৃত দেশপ্রেমিক তারাতো একটি ঘটনাকে

রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধ করার এখনই সময়

বর্তমান সারা দেশে আবারও ডেঙ্গু আতংক বাড়ছে। সরকারি হিসেব মতে ২০০১ সালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৪৫ জন। ২০০২ সালে ৯৩ জন। ২০০৩ সালে ১০ জন ও বর্তমানে রাজধানীতেই জুন থেকে এর পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২৩০ জন।

হাসির বাক্স-৭

 tumblr_lm5m9y1C701qd8bpuo1_500
কৌতুক-৩১
অফিসের বস ও পিয়নের মধ্যে কথোপকথন:
অফিসের বস পিয়নকে একটা ম্যাচ কিনে আনতে বললেন। তখন পিয়ন দোকান থেকে ম্যাচ কিনে এনে বসকে দিল।
বস ম্যাচ জ্বালাতে গিয়ে দেখলেন, একটা কাঠিও জ্বলছে না। বস তখন রাগে বলছে, ‘কী এনেছিস রে বোকা? একটা কাঠিও তো জ্বলছে না!’
পিয়ন তখন উত্তর দিল। ‘কী যে বলেন স্যার? প্রত্যেকটা কাঠি আমি নিজে জ্বালিয়ে দেখেই তারপই ম্যাচটা কিনে এনেছি স্যার।’

শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৪

মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিরোধ

অন্যান্য নেশার মত মদ পান করাও একটি নেশা। বাংলায় নেশা শব্দটি এসেছে মূল আরবি শব্দ ‘নাশাতুন’ শব্দ থেকে। যার অর্থ মত্ততা। সাধারণের চেয়ে বেশি যে কোন আকর্ষণকে নেশা বলা হয়।
অপরদিকে ইংরেজি ড্রাগ শব্দটি ইতালীর মূল ‘ড্রগে’ থেকে এসেছে। যার অর্থ হলো গাছ-গাছরা থেকে আহরণ করা ‘‘শুষ্ক ঔষধি’’। আমরা ড্রাগের বাংলা প্রতিশব্দ পাই ভেষজ থেকে।

ভণ্ড প্রেমিক প্রেমিকাদের উদ্দেশ্যে

শিশুকালে ছেলে-মেয়েরা খাদ্য ব্যতীত আর অন্য কোন কিছুরই তেমন প্রয়োজন পরে না। বয়:প্রাপ্তির সাথে সাথে তাদের অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়। তখন তাদের মধ্যে দেখা দেয় কামরিপু। এ রিপু চরিতার্থ করণে তখন পুরুষ নারীর সহিত এবং নারী পুরুষের সহিত মিলিত হওয়ার চেষ্টা করে। উভয়ের দেহ মনে যৌবনের জোয়ার সৃষ্টি হয়। তখন প্রেম-প্রীতি-ভালোবাসা লাভের জন্যে নর-নারীর মন ব্যাকুল হয়ে উঠে।

বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৪

ধূমপানের কুফল ও প্রতিকার

ধূমপান স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর, একথা আজ শুধু চিকিৎসা বিজ্ঞানী অথবা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের হুসিয়ারি সংকেত নয়, এ কথা সর্বজনবিদিত। ধূমপানের ক্ষতিকর দিক উপলদ্ধি করে এক প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী বলেছেন, ''Drink poison but leave smoking". অর্থাৎ ধূমপান বিষপানের চেয়েও মারাত্মক। কারণ বিষপানের সাথে সাথে জীবনের মৃত্যু ঘটে কিন্তু ধূমপানের ফলে মানুষ ধুঁকে ধুঁকে মরে। এর ফলে সামাজিক ও মানসিক বিপর্যয় ঘটে। ব্যক্তি সমাজ নিশ্চিত অকল্যাণের দিকে ধাবিত হয়। ধূমপান যে স্বাস্থ্য রক্ষা, শরীর গঠন ও নানা প্রকার রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে অপকার ছাড়া কোন উপকার করে না, একথা স্বয়ং ধূমপায়ীরাও স্বীকার করে।

মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৪

মন্ত্রী পরিষদ শাসিত সরকারের সুবিধা অসুবিধা

আমরা জানি প্রতিটা জিনিসেরই সুবিধা ও অসুবিধা আছে। অর্থাৎ যার দোষ আছে তার গুণও আছে। আমাদের দেশ বর্তমানে মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এই মন্ত্রী পরিষদ শাসিত সরকারের মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হলে শুধু যে সুবিধাই ভোগ করবে তা নয়। এর কিছু অসুবিধাও আছে। এখন আমার মূল বিষয় হচ্ছে এর সুবিধা ও অসুবিধা দুটোই আলোচনা করা। তবে এর সুবিধা আলোচনা করার পূর্বে আমাদের জানা প্রয়োজন মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার বলতে আমরা কি বুঝি।

ঐতিহাসিক মে দিবস ইতিহাসের এক করুণ ট্রাজেডী

১ মে একটি ঐতিহাসিক দিন। একটি দিক নির্দশক ও পথ প্রদর্শক ও পৃথিবীর মেহনতী মানুষের প্রাণপণ লড়াইয়ের মাধ্যমে অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন। মালিকের শোষণ, পীড়ন, অত্যাচার, অবিচার থেকে মুক্তির দিন। শ্রমিকের লড়াই, সংহতি, দৃঢ়তা ও রক্তের বিনিময়ে ছিনিয়ে আনা অর্জিত বিজয়ের দিন। এদিনে শ্রমিকরা রক্তে রঞ্জিত লাল নিশানের তলে দাঁড়িয়ে আপোষহীন সংগ্রামের শপথ গ্রহণ করে। তারা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে সংকল্পবদ্ধ হন। মে দিবসের ঘটনাটি মূলত: ঘটিয়েছিল সাধারণ শ্রমিকরা। এ জন্যে মে দিবসকে শ্রমিক দিবস বলা হয়ে থাকে। যা বর্তমান বিশ্বে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন হয়। আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাস ব্যাপক। এর গোড়াপত্তন হয় ১৮৩০-১৯৪৭ সাল পর্যন্ত। এখন সংক্ষেপে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আলোচনা করা হল।

অসাবধানতাই অগ্নিকান্ডের প্রধান কারণ অতএব অগ্নি প্রতিরোধে সর্তক হোন

গত ১৮/০৪/২০০৪ ইং তারিখ রোজ রোববার উদ্বোধন করা হল হলো তিন দিন ব্যাপী বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ। প্রতি বছরই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উদ্যাপন করা হয়। আর এতে সব বক্তারাই অগ্নি নির্বাপণ, অগ্নিকান্ডের প্রধান কারণ ও লক্ষণ ইত্যাদি সর্ম্পকে সচেতন করে থাকেন। কিন্তু তলিয়ে দেখা দরকার আমরা আসলে কতটুকু সচেতন। আমার মনে হয় এখনও মানুষ পুরোপুরি সচেতন নয়। এখনও

সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৪

বাংলাদেশের যৌতুক প্রথা ও নারী নির্যাতন


আজকাল সংবাদপত্রের পাতা উল্টালেই যে সংবাদটি সবার নজরে বেশি পড়ে তাহলো নারীরা পুরুষ কর্তৃক যত প্রকার নির্যাতিত হচ্ছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে যৌতুকের শিকার। বর্তমানে এ যৌতুক একটি প্রথা হিসেবে দেখা দিয়েছে। যা নারী সমাজের জন্য এক অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যৌতুকের ফলে কত নারীর সোনার সংসার ভেঙ্গে তছনছ হয়েছে তার কোন হিসেব নেই। কত নারী যে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে তারও কোন পরিসংখ্যান