জন্মদাত্রী হিসেবে আমার, আপনার সকলের জীবনে মায়ের স্থান সবার ওপরে। যে মা দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করে, দুই বছর স্তন্য দান করে, আমার আপনার জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত ক্রমাগত ত্যাগ স্বীকার করে তিলে তিলে আমাকে আপনাকে বড় করেছে এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাই করে যাবেন। যে মায়ের পায়ের নীচে আমার আপনার জান্নাত। যেই মায়ের জন্য আমরা কখনো কোথাও আঘাত পেলেই ‘মাগো’ বলে চিৎকার করি, সেই মাকে সম্মান দেখানোর জন্য বছরে একটি মাত্র দিন!
রবিবার, ৮ মে, ২০১৬
শুক্রবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৬
নরসিংদীর বিনোদনের প্রাণকেন্দ্র ড্রিম হলিডে পার্ক
![]() |
| কৃত্রিম লেক |
নাগরিক জীবনে প্রতিদির রুটিন ব্যস্ততায় কিছুটা একঘেয়েমি চলে আসে আমার জীবনে। শত কাজের ব্যস্ততায় আমি যখন হাঁপিয়ে উঠছিলাম, ঠিক তখন ভাবলাম আমার একটু বিশ্রামের প্রয়োজন। পরিবারকে একটু সময় দেয়ার দরকার। যেই ভাবনা সেই কাজ। একমাত্র মেয়ে আনিকা ও স্ত্রীকে প্রস্তাব দিলাম চলো আমরা পাঁচদোনা ড্রীম হলিডে পার্ক থেকে ঘুরে আসি। এই নাগরিক কোলাহল থেকে অন্তত অল্প সময়ের জন্য হলেও দূরে যাওয়া প্রয়োজন। নিজেদের মতো করে কাটাব সময়। আমার প্রস্তাবে তারা রাজি হয়ে গেল।
বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৬
একজন ডাক্তারের কত টাকা চাই?
আমরা জানি ডাক্তারি পেশা একটি
সেবামূলক পেশা। এই পেশাকে কুলষিত করছে কতিপয় ডাক্তার। তারা একজন রোগীকে সবোর্চ্চ পাঁচ মিনিট সময় দিয়ে
৫০০ থেকে ১০০০ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। আমরা এও জানি টাকার চেয়ে একজন মানুষের জীবনের
মূল্য অনেক বেশি।
সেটা আমরা সাধারণ জনগণ বুঝলেও কতিপয় ডাক্তাররা বুঝেন না। তাদের অমানুষিক আচরণের
কারণে অনেক গরিব মানুষ বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে।
বুধবার, ২ মার্চ, ২০১৬
গ্রন্থ পর্যালোচনা: ‘কৃষ্ণকলি’
“আমি কালো মেয়ে। তাই আমাকে দেখে কোনো পুরুষের মনে যদি প্রেম না জাগে তাতে সেই পুরুষকে যেমন দোষ দেওয়া যায় না তেমনি আমাকেওতো দোষ দেয়া যায় না। কিন্তু পরিবার, পাড়াপড়শি, আত্মীয়-স্বজন আমাকেই দোষতে লাগল। নানা কথায় আমার জীবনটা অতিষ্ট করে তুলতে লাগল। আবার অন্যদিক দিয়ে দেখো, কোন পুরুষের মনে প্রেম জাগানোর মতো কোনোকিছুই আমার চেহারায় না থাকলেও বয়স হওয়ার সাথে সাথে একজন সুন্দরী রাজকুমারীর মনে যেমন প্রেম জাগে আমারও তেমনি জেগেছিল। এক সময় আমারও বয়স ষোল বছর হয়। আমিও একসময় ষোড়শী হলাম এবং আমারও মনে তীব্র ইচ্ছা জাগল কারো প্রেয়সী হয়ে তার বুকে হুটোপুটি করতে; ভালোবাসার নীড়ে ভালোবাসি করতে। কিন্তু কেউ তো এলো না আমাকে ভালোবাসতে। ”
রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
অদ্ভুত ভালোবাসা
এক
শীতের সকাল। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন রিয়াজ। মোবাইল বেজে উঠল। ঘুমের ঘোরে তাড়াহুড়া করে মোবাইলটি রিসিভ করতেই অপর প্রান্ত থেকে বন্ধু রুবেল বলে উঠল, আজ আমার গায়ে হলুদ আর তুই এখনও ঘুমাচ্ছিস। জলদি ক্যামেরা নিয়ে চলে আয়।
রিয়াজ ঘুমের চোখে বললো, ঠিক আছে দোস্ত আমি আসছি।
ঘুম থেকে উঠেই রিয়াজ দ্রুত ওয়াশরুমে গেল। সেভ হয়ে গোসল করে নিল। সুটপ্যান্ট পড়ে রুবেলদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হল। সাথে তার প্রিয় ক্যামেরাটা নিয়ে আসল।
শীতের সকাল। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন রিয়াজ। মোবাইল বেজে উঠল। ঘুমের ঘোরে তাড়াহুড়া করে মোবাইলটি রিসিভ করতেই অপর প্রান্ত থেকে বন্ধু রুবেল বলে উঠল, আজ আমার গায়ে হলুদ আর তুই এখনও ঘুমাচ্ছিস। জলদি ক্যামেরা নিয়ে চলে আয়।
রিয়াজ ঘুমের চোখে বললো, ঠিক আছে দোস্ত আমি আসছি।
ঘুম থেকে উঠেই রিয়াজ দ্রুত ওয়াশরুমে গেল। সেভ হয়ে গোসল করে নিল। সুটপ্যান্ট পড়ে রুবেলদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হল। সাথে তার প্রিয় ক্যামেরাটা নিয়ে আসল।
শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
টুনি ও প্রজাপতি
টুনি তার নাম। বাবা মায়ের একমাত্র আদরের মেয়ে। সে কেবল অ আ ক খ পড়ে। তার একটা বর্ণমালার বই আছে। বইটি খুবই সুন্দর। ছড়ায় ছড়ায় বর্ণমালা দিয়ে বইটি সাজানো। রঙিন সব ছবি। প্রজাপতির ছবি। পাখির ছবি। ফলের ছবি। ফুলের ছবি। প্রতিদিন জানালার পাশে বসে টুনি বর্ণমালার বই পড়ে।
জানালার পাশেই টুনির বাবা একটি ফুলের বাগান করেছে। সেই বাগানে বিভিন্ন জাতের ফুলের চারা লাগানো হয়েছে। নানা জাতের ফুল ফুটেছে। টুনি প্রতিদিন সেই বাগানের যতœ করে। বাগানে পানি দেয়।
একদিন টুনি দেখলো, ফুলবাগানে একটি প্রজাপতি আসল। হায়! কি অপরূপ!। এমন সুন্দর প্রজাপতি টুনি আগে দেখেনি। কিন্তু এখন দেখামাত্রই সে চিনে ফেলল। কারণ সে তার বর্ণমালা বইয়ে এমন একটি প্রজাপতির ছবি দেখেছে এবং পড়েছে প-তে প্রজাপতি। লাল, নীল, হলুদ, কালো, মেরুনের চমৎকার ছোপ ছোপ সাজের প্রজাপতিটা উড়ছে। ফুল গাছের এ পাতা থেকে ও পাতায় বসছে। উড়ে উড়ে অপরূপ বর্ণচ্ছটাই বিকিরিত করছে দৃষ্টির তরঙ্গে।
হঠাৎ করে প্রজাপতিটা উড়াল দিল। টুনি তাকিয়ে থাকে প্রজাপতি চলে যাওয়া পথের দিকে। ওই তো রঙ্গিন প্রজাপতিটা উড়ে চলে যায় টুনির মাথার উপর দিয়ে অনন্ত পথের পানে। আর তখন টুনি এক দৃষ্টিতে সেদিকে তাকিয়ে রইল।
জানালার পাশেই টুনির বাবা একটি ফুলের বাগান করেছে। সেই বাগানে বিভিন্ন জাতের ফুলের চারা লাগানো হয়েছে। নানা জাতের ফুল ফুটেছে। টুনি প্রতিদিন সেই বাগানের যতœ করে। বাগানে পানি দেয়।
একদিন টুনি দেখলো, ফুলবাগানে একটি প্রজাপতি আসল। হায়! কি অপরূপ!। এমন সুন্দর প্রজাপতি টুনি আগে দেখেনি। কিন্তু এখন দেখামাত্রই সে চিনে ফেলল। কারণ সে তার বর্ণমালা বইয়ে এমন একটি প্রজাপতির ছবি দেখেছে এবং পড়েছে প-তে প্রজাপতি। লাল, নীল, হলুদ, কালো, মেরুনের চমৎকার ছোপ ছোপ সাজের প্রজাপতিটা উড়ছে। ফুল গাছের এ পাতা থেকে ও পাতায় বসছে। উড়ে উড়ে অপরূপ বর্ণচ্ছটাই বিকিরিত করছে দৃষ্টির তরঙ্গে।
হঠাৎ করে প্রজাপতিটা উড়াল দিল। টুনি তাকিয়ে থাকে প্রজাপতি চলে যাওয়া পথের দিকে। ওই তো রঙ্গিন প্রজাপতিটা উড়ে চলে যায় টুনির মাথার উপর দিয়ে অনন্ত পথের পানে। আর তখন টুনি এক দৃষ্টিতে সেদিকে তাকিয়ে রইল।
শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
সৃজনশীল ব্লগিং প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বের ফলাফল প্রকাশ ও বিজয়ীদের অভিনন্দন
সুপ্রিয় ব্লগার বৃন্দ
নক্ষত্র ব্লগের পক্ষ থেকে শুভেচছা ও অভিনন্দন গ্রহণ করুন। আপনারা জানেননক্ষত্র ব্লগে চলছে ব্লগিং প্রতিযোগিতা. যা গত তিনবছর যাবত নিয়মিত আয়োজিতহয়ে আসছে। বিভিন্ন ব্লগ ও অনলাইনে যারা নিয়মিত লেখালেখি করেন তাদের জন্যএটা নিসন্দেহে আশাব্যঞ্জক। লেখকের জন্য পাঠক প্রিয়তাই সত্যিকারেরপুরস্কার।তাই এই লেখা লেখির চর্চাকে আরও গতিশীল রাখতে এই ধরনের আয়োজন খুবইগুরুত্বপূর্ণ। কে কি পুরস্কার পেল তাহা বড় কথা নয় বরং লেখা লেখিকে গতিশীলকরাই বড় বিষয়। পাঠকের সাথে যোগাযোগ হওয়া এবং নিজের লেখাটিকে সর্বোচ্চসংখ্যক পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই অন্যতম বিষয়। নক্ষত্র ব্লগ এই বিষটিকে বিবেচনাকরে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে।এরই পরিপ্রেক্ষিতে সকল লেখক পাঠকের প্রতি আহ্বান নক্ষত্র ব্লগ প্রতিযোগিতায়লিখুন। লেখালেখির চর্চাটা অব্যাহত রাখুন।
মায়ের স্বপ্ন
খোদেজা বেগমের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন তার সন্তান শাকিল এদেশের একজন নামকরা ডাক্তার হবে। গরিব দু:খী মানুষের সেবা করবে। অভাবের সংসারে কত কষ্ট করে খোদেজা তার সংসার চালাচ্ছেন তা শুধু আল্লাই ভালো জানেন। তার সম্পদ বলতে কিছু নেই। রেললাইনের পাশেই এক বস্তিতে তিনি তার সন্তানকে নিয়ে বসবাস করছেন। তিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করে নিজে না খেয়ে শাকিলের লেখাপড়ার খরচ যোগাচ্ছেন।
মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৬
একান্ত সাক্ষাতকারে গল্পকার আমির ইশতিয়াক
রঙধনু ১. কতদিন যাবৎ লেখালেখি করছেন?
আমির ইশতিয়াক: ১৯৯৭ সালে
নবম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত থাকালীন সময় থেকে আমার লেখালেখির হাতেখড়ি। সেই থেকে আজ
অবধি অবিরাম লিখেই যাচ্ছি। কখনো থেমে থেমে আবার কখনো একনাগারে। লেখতে লেখতে নাকি লেখক
হওয়া যায়। তাই অবিরত লিখছি। জানিনা কতদুর যেতে পারব। আমার প্রথম লেখা প্রকাশিত হয়
২০০০ সনের জুন মাসে ‘মাসিক
চিকিৎসা সাময়িকীতে’।
সেই থেকে আজ পর্যন্ত আমি বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকা, সাপ্তাহিক
ম্যাগাজিন. মাসিক ম্যাগাজিন, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-কম্পিউটার
ও চিকিৎসা বিষয়ক মাসিক পত্রিকা, সাধারণ জ্ঞান ভিত্তিক
মাসিক পত্রিকা, দৈনিক পত্রিকা, কিশোর
পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকা, ব্লগ,
ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে লেখালেখি করে আসছি।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)






