শুক্রবার, ২০ মে, ২০১৬

আবেদন

ইলমে দ্বীন
শিক্ষা কর
ঈমান আমল
দৃঢ় কর।

কিশোর কণ্ঠ-২

হাতে নিলাম কিশোর কণ্ঠ
কি মধুর নাম!
তুমি দেখাও সত্যের পথ
তাই তোমায় দেই দাম।

শাওয়ালের চাঁদ

শাওয়ালের চাঁদ উঠেছে
পূব আকাশে ঐ
তাই দেখে ছেলে মেয়েরা
করছে হৈচৈ।

জিহাদ

জিহাদ করতে যাব আমি
দোয়া কর মাগো,
তোমার দোয়া সঙ্গে থাকলে

কিশোর কণ্ঠ-১

কিশোর কণ্ঠ
তুমি শুধু একটি নাম
তাই তোমাকে জানাই সালাম।
কিশোর কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০১৬

ব্যবধান

কেউ থাকে চব্বিশ তলায়
কেউ থাকে গাছ তলায়
এ কেমন রীতি।
কেউ খাবে ইলিশ ভাজা

ছড়াকার


গভীর রাতে বসে ভাবি
লিখব একটি ছড়া,
অনেক ভেবেও যখন লিখতে পারি না
তখন মেজাজটা হয় চড়া।

সোমবার, ১৬ মে, ২০১৬

আলোকচিত্র











































বাণী

v  মানুষকে সুখ দুঃখ, হাসি কান্না, প্রেম, বিরহ ইত্যাদি নিয়েই বেঁচে থাকতে হয়।
v  নারী এমন এক রহস্য জাত, যার সাথে স্বামী পঞ্চাশ বছর এক বিছানায় থেকেও তার রহস্য ভেদ করতে পারে না।
v  দুনিয়ার সব জিনিস আঠা দিয়ে জোড়া লাগানো যায় কিন্তু মন একবার ভেঙ্গে গেলে তা আর জোড়া লাগানো যায় না।
v  সতীত্বহীন নারী পুরুষের কাছে মূল্যহীন।
v  যে না জেনে ভুল করে তাকে ক্ষমা করা যায়, কিন্তু যে জেনে ভুল করে তাকে ক্ষমা করা যায়  না।
v  সব মেয়ে প্রেমিকা হতে পারে কিন্তু সব মেয়ে আদর্শ স্ত্রী হতে পারে না।
v  ঘাত প্রতিঘাত ছাড়া মানুষের জীবন পরিপূর্ণ হয় না।
v  মানুষ যা আশা করে না, তাই হয়। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে হলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রকৃতির নিয়মকে মেনে নিতে হবে।
v  সতীত্বহীন নারী বেঁচে থাকার চেয়ে সতীত্ব নিয়ে মরে যাওয়া উত্তম।
v  প্রেম রোগ বড় রোগ এ রোগের কোন চিকিৎসা নেই।
v  প্রেমে পড়লে মানুষ দুনিয়ার সব কিছু ভুলে যায়। তখন ভালো মন্দ বিচার করার হিতাহিত জ্ঞান থাকে না।
v  বসন্তকাল হচ্ছে প্রেমিক প্রেমিকাদের সর্বোৎকৃষ্টকাল।
v  আদিকাল থেকেই প্রেম চলে আসছে, আজ চলছে, চলবে অনন্তকাল।
v  সব সৃষ্টির আনন্দের চেয়ে মা হওয়ার আনন্দ অনেক বেশি।
v  যে পুরুষ অর্থের বিনিময়ে বিয়ে করে সে পুরুষ নয়, কাপুরুষ।
v  বই মানুষকে ঠকাতে পারে না।
v  ভালোবাসা গড়তে অনেক দিন কিন্তু ভাঙ্গতে কিছুক্ষণ।
v  দু:খের কোন অস্তিত্ব নেই, এটা হচ্ছে সুখের অনুপস্থিতি।
v  প্রতিটি মানুষই দুটি মানুষের ভালোবাসার ফসল।
v  পৃথিবীর এই রঙ্গমঞ্চে আমরা সবাই অভিনেতা।
v  ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগানো যায় কিন্তু যে জেগে ঘুমায় তাকে জাগানো যায় না।
v  সব ছেলেরা একসময় বাবা হয়। কিন্তু সব বাবারা কোনদিন ছেলে হয় না।
v  মানুষ মাত্রই ভুল হয়। প্রকৃত বন্ধু তারাই যারা বন্ধুর সরাসরি ভুল ধরিয়ে না দিয়ে গোপনে ভুল ধরিয়ে দেয়।
v  আসুন আমরা সবাই বই পড়ি। আলোকিত জীবন গড়ি। যদি বই না পড়ি অন্ধকারে রয়ে যাব। অন্ধকার জগৎ থেকে আলোর পথে একমাত্র বই আনতে পারে।
v  আমাদের মধ্যে ভিন্নমত, ভিন্ন রং, ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষদের সম্মান করা, শ্রদ্ধা করার প্রবণতা কম।
v  যারা কথা দিয়ে কথা রাখেনি তাদের সঙ্গ ত্যাগ করাই ভাল। কারণ তাদের মুখে মধু থাকলেও অন্তরে থাকে বিষ।
v  শিক্ষা বাণিজ্য ও কোচিং বাণিজ্য বন্ধ না হলে এ দেশের শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে না।
v  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মূলত শোক দিবস। এদিনে বাংলাদেশের দামাল ছেলেরা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে অথচ এদিনে আমরা আনন্দ ফুর্তি করি!
v  সব পুরুষরাই বিয়ে করার জন্য সতী নারী খুঁজে কিন্তু নিজে কতজন নারীর সতীত্ব নষ্ট করেছে তার হিসেব করে না।
v  মানুষকে কাঁদানো সহজ হাসানো কঠিন। প্রতিটা সৃষ্টির পেছনেই স্রষ্টা থাকে।
v  স্রষ্টাকে যারা খোঁজে পায় না তারাই নাস্তিক হয়।
v  আবেগ দিয়ে জীবন চলে না। জীবন এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা।
v  মানুষকে জানোয়ার বললে রাগ হয় কিন্তু বাঘের বাচ্চা বললে খুশি হয় কেন?
v  একজন মানুষকে মানুষ হওয়ার জন্য যতটুকু পরিশ্রম করতে হয়, আমানুষ হওয়ার জন্য ততটুকু পরিশ্রম করতে হয় না।
v  গাছ প্রতি বছর নতুন করে যৌবনপ্রাপ্ত হয় কিন্তু মানুষ প্রতি বছর যৌবনপ্রাপ্ত হয় না।
v  গরিবের অশান্তি দারিদ্রতা আর ধনীর অশান্তি প্রাচুর্যতা।
v  যারা বিশ্বাসের মর্যাদা রাখে না তারা আর যাই হউক ভদ্রলোক হতে পারে না।
v  মানুষ মানুষের শত্রু হতে পারে কিন্তু বই কখনো মানুষের শত্রু হতে পারে না।
v  এমন বন্ধুর দরকার নেই যে রোদ উঠলে ছাতা দেয়, আর বৃষ্টি হলে ছাতা নিয়ে যায়।
v  বৈশাখের প্রথম দিন পান্তা ইলিশ খাওয়া মানে গরিবের সাথে উপহাস করা।
v  প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিলে শিক্ষিত হওয়া যায় কিন্তু সু-শিক্ষিত হওয়া যায় না।
v  মুখ থেকে থুথু ফেললে যেমন ফেরত নেয়া যায় না, তেমনি কোন কথা বলে ফেললে তা আর ফিরিয়ে আনা যায় না। অতএব কোন কথা বলার আগে অবশ্যই ভেবে চিন্তে সাবধানে বলতে হবে।
v  পৃথিবীতে মা-বাবা ব্যতীত আর কেউ নি:স্বার্থভাবে ভালোবাসা দিতে পারে না।

সর্বশেষ আপডেট: ২৮ জুন ২০১৭ খ্রি:

শুক্রবার, ১৩ মে, ২০১৬

অপরূপ মাধবকুণ্ড

নেট থেকে সংগ্রহ করা ছবি
ঝর্ণাকে নাকি পাহাড়ের কান্না বলে। সেই কান্না আবার মানুষকে আনন্দ দেই তা মাধবকুণ্ডে না গেলে বুঝতে পারতাম না। মহান আল্লাহ তায়ালা নিজ হাতে গড়া এই ঝর্ণাকে দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলাম। হবেই না কেন? কারণ পাহাড়ে গা ফুঁড়ে অঝোর ধারায় সাঁ সাঁ শব্দে নেমে আসছে পানি। অসংখ্য জলকণার মিলন মেলায় সৃষ্টি হচ্ছে সঙ্গীত। বাতাসে সেই সঙ্গীতের সুর উঠা নামা করছে। এই সুরের মুর্ছনা শুনার জন্য সারা বছর দেশের অগুণিত দর্শক ছুটে আসছে এখানে। তাই আমরা কিছু ভ্রমণ প্রিয়াসী ছুটে গিয়েছিলাম সেই সঙ্গীতের সুরের মুর্ছনায় মুগ্ধ হওয়ার জন্য। বন্ধুদের মধ্যে ছিল প্রিয় বন্ধু আব্দুল্লাহ আল নোমানসহ আরো অনেকে।